তোমার কোমল হাত ছুঁয়ে গেছে ভোরের বাতাস, দুপুরের রোদ সন্তর্পণে- একা,
তোমার অলকদাম ছড়িয়েছে বৈধব্য বিষাদ গান, বেহালা বিজন সুর;
বিপন্ন বৈষ্ণব এক গেরুয়া আঁচল তার খুঁজে ফিরে মৃত্তিকার মুখ-
সায়াহ্নে নদীর তীর দূর অরণ্যের বাঁয়ে দুই চোখ তার।
কী মধুর সুরে যাদুর ছোঁয়ায় এঁকে গেছো তুমি দিন ও রাতের মুখ,
কেউ কি দেখেছে এই রুপোর চাঁদোয়া - বনপোড়া হরিণীর আদিম অভিসার!
আমিও মানুষ - ইচ্ছের ফানুসে উড়ে আর পুড়ে জোছনার সবটুকু গিলে গিলে খাই;
রেখে যাই আঁধারের শিস আর সুর - ভুলে যাই যতো পথ-পিদিম প্রহর।
রাতের বেদনা ভুলে নীরবে দাঁড়িয়ে ভাবো রোদপোড়া কাকতাড়ুয়া, একা;
ঈষাণে মেঘের নদী, তোমার ডানায় জমে আজো আষাঢ়ের যমজ আঁধার।
১৮.০৫.২০১৪
দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশ ৩০ মে ২০১৪,
দৈনিক সমকাল ১২জুন ২০১৪

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন